২২ বছরে সর্বনিম্ন
এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২%, ইংরেজি ও আইসিটিতে বড় বিপর্যয়
এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার নেমে এসেছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে, যা গত ২২ বছরে সর্বনিম্ন এবং গত বছরের চেয়ে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ কম। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ফল প্রকাশ করা হয়।
মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন, যা আগের বছরের চেয়ে ২৯ হাজারের বেশি কম। শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৯৩টি।
ফল খারাপের কারণ
ইংরেজিতে ফেল করেছেন ৩৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং আইসিটিতে ২৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী। মানবিকে প্রায় ৫৮ শতাংশ ও বাণিজ্যে ৪৯ শতাংশ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসের চাপ, অভিন্ন প্রশ্নপত্র, ঘন ঘন পাঠ্যক্রম পরিবর্তন এবং শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি কমে যাওয়াকে কারণ হিসেবে দেখছেন। ফেল করাদের বড় অংশ গ্রামাঞ্চলের।
বোর্ডভিত্তিক চিত্র
সর্বোচ্চ পাসের হার ঢাকা বোর্ডে ৬১.৮০ শতাংশ, সর্বনিম্ন বরিশালে ৪৪.৮৪ শতাংশ। যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪.৯২ শতাংশ। মাদ্রাসা বোর্ডে ৬১.০৭ এবং কারিগরি বোর্ডে ৪৯.৪৩ শতাংশ।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শুধু শিক্ষার্থীদের ওপর দায় চাপালে হবে না; শিক্ষক, অভিভাবকসহ সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য সম্ভব হলে এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। ফল পুনর্নিরীক্ষার আবেদন চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত, প্রতি পত্রে ফি ১৫০ টাকা।
তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর